সুপ্রিম কোর্টের বড় নির্দেশ – চাকরিরত শিক্ষকদের জন্য অতিরিক্ত ৭ দিন বরাদ্দ, পিছোচ্ছে কি SSC পরীক্ষা?

কি কথোপকথন হয়েছে সুপ্রিম কোর্টে এই বিষয়ে, তা এই আর্টিকেলের একদম শেষ প্যারাতে তুলে ধরা হলো –

সুপ্রিম কোর্টের বড় নির্দেশ – চাকরিরত শিক্ষকদের জন্য অতিরিক্ত ৭ দিন, পিছোচ্ছে কি SSC পরীক্ষা? 🤔📢

পশ্চিমবঙ্গের চাকরিপ্রার্থীদের জন্য এল সুপ্রিম কোর্টের গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ। ২০১৬ সালের নিয়োগ প্যানেলের অ-দাগি চাকরিরত শিক্ষকরা যারা স্নাতকে ৪৫% নম্বর পেয়েছিলেন এবং বিএড ডিগ্রি নিয়েছিলেন, তাঁদের নতুন নিয়োগ পরীক্ষায় বসার সুযোগ দেওয়ার আবেদন জানানো হয়েছিল আদালতে। সেই আবেদনের ভিত্তিতে সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে, ফর্ম ফিল আপের জন্য অতিরিক্ত ৭ দিনের সময় দেওয়া হবে। ✍️📅

➡️ এখন বড় প্রশ্ন, তাহলে কি এই কারণে আসন্ন SSC পরীক্ষা পিছিয়ে যাবে? আদালত জানিয়েছে, পরীক্ষার তারিখ স্থির করবে কমিশন। তবে এও স্পষ্ট করা হয়েছে যে, ৩১ অক্টোবরের মধ্যে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে জবাব দিতে হবে। তাই প্রার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে যে, শেষ মুহূর্তে পরীক্ষার সূচিতে পরিবর্তন আসতে পারে।

👨‍🏫 এদিকে শিক্ষকদের দাবি, তাঁরা প্রতিদিন স্কুলে ক্লাস নেওয়া, পরীক্ষা পরিচালনা ও খাতা দেখার কাজে ব্যস্ত থাকায় সঠিকভাবে প্রস্তুতি নিতে পারছেন না। তাই তাঁরা পরীক্ষার সময় পিছিয়ে দেওয়ার আর্জিও জানিয়েছিলেন। আদালতের এই নির্দেশ সেই প্রেক্ষিতেই এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

📌 উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছিল, অন্তত ৫০% নম্বর ও বিএড ডিগ্রি না থাকলে কোনো শিক্ষক পরীক্ষায় বসতে পারবেন না। এর ফলে বহু চাকরিরত শিক্ষকই সমস্যায় পড়েছিলেন। সেই বিষয় নিয়েই আদালতে মামলা হয়।

READ MORE  একলব্য রেসিডেন্সিয়াল স্কুল ডিটেইলস

⚖️ বিচারপতি সঞ্জয় কুমার ও বিচারপতি সতীশচন্দ্র শর্মার বেঞ্চে এই মামলার শুনানি হয়। আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, ফর্ম ফিল আপের ক্ষেত্রে ছাড় মিললেও নিয়োগ প্রক্রিয়া কবে হবে তা কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী চলবে।

📢 তাই এখন সবার নজর কমিশনের ওপর—পরীক্ষার তারিখ কি পরিবর্তন হবে, নাকি নির্ধারিত সময়েই পরীক্ষা নেওয়া হবে?


আইনজীবী ও বিচারপতির কথোপকথন নিম্নে দেওয়া হল 👇

বিচারপতি: অন্তত এদের ব্যাপারে—আপনি ২০১৬ সালের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অংশ নেননি?

আইনজীবী: না, আমি নিইনি।

বিচারপতি: তখন আপনার বয়স কত ছিল?

আইনজীবী: প্রত্যেকের বয়স আলাদা হবে, মহামান্য। কিন্তু আমরা যোগ্য ছিলাম যখন ২০২৪ সালে হাইকোর্টে গিয়েছিলাম।

বিচারপতি: পৃষ্ঠা ১৪০ হলো আদেশ … ২০১৬ থেকে ’২৫ পর্যন্ত কোনো নিয়োগ হয়নি।

আইনজীবী: ঠিক তাই, এজন্যই আমরা হাইকোর্টে গিয়েছিলাম, কারণ ২০২২ সালের ৫ই মে বিজ্ঞপ্তি জারি হয়েছিল।

আইনজীবী: আমার নোট থেকে বলছি … এটা দুর্ভাগ্যজনক, কিন্তু রাজ্য যে প্রক্রিয়া শুরু করেছিল, সেই ২০১৬ সালের নির্বাচন (নিয়োগ) ২০০০ সাল পর্যন্ত গড়িয়েছিল …

বিচারপতি: তারা OMR শীট ধ্বংস করে দিয়েছে, তবুও নির্বাচনের কাজ চালিয়ে গেছে।

আইনজীবী: মহামান্য, আমি কি দুটি কথা বলতে পারি?

বিচারপতি: বোর্ডও সমানভাবে দায়ী। এই বিশৃঙ্খলার জন্য আপনাদেরই দায় নিতে হবে।

আইনজীবী: সেটাই।

বিচারপতি: এই লোকগুলো দুর্ভাগ্যজনক ভুক্তভোগী, কারণ আপনারা কোনো নিয়োগই করেননি …

READ MORE  পশ্চিমবঙ্গে ১.২৪ লক্ষ Civic Volunteer-দের নিয়ে বড় যাচাই অভিযান! ৯০ দিনের মধ্যে সম্পূর্ণ ভেরিফিকেশন, কী কী দেখা হবে জানুন

আইনজীবী: হ্যাঁ, আমরাই। আমাদের দু’জন এই রিট আবেদন দায়ের করেছিলাম …

বিচারপতি: সেটা তো ২০১৬ সালে।

আইনজীবী: ২০২৪ সালে, মহামান্য, এই আদেশ জারি হয়েছিল।

বিচারপতি: যখন আপনি সেই আদেশকে চ্যালেঞ্জ করেছেন … তখন কেন এটা আগের নিয়োগের সাথে যুক্ত হবে, যেটা মামলা-মোকদ্দমায় ঝুলছিল?

আইনজীবী: হ্যাঁ, আমাদের এখানে আসা উচিত ছিল … কিন্তু সময়টা খুব বেশি ফারাক নয় … আপনার মহামান্যের দিল্লি জুডিশিয়াল সার্ভিস মামলার এক রায় …

বিচারপতি: সেটা উল্লেখ করা হয়েছে, ফাহাদ।

আইনজীবী: হ্যাঁ, দেবিনা শর্মা … তার রায়ের যুক্তি এখানেও প্রযোজ্য হওয়া উচিত …

বিচারপতি: পরিস্থিতি এমন যে কিছু দুর্ভাগ্যজনক ভুক্তভোগী রয়েছেন।

আইনজীবী: অনুচ্ছেদ ১৮। আমরা প্রতিটি বেআইনি কাজ উপেক্ষা করতে পারি না … যদি প্রার্থীর কারণে নয়, বরং নিয়োগ না হওয়ার কারণে বয়সসীমা পার হয়ে যায় … তবে তাকে ছাড় দেওয়া উচিত …

বিচারপতি: আপনি তখন যোগ্য ছিলেন, কিন্তু—না, তখনও যোগ্য ছিলেন না।

আইনজীবী: আমরা ’৭২-এ (সেই সময়ে) যোগ্য ছিলাম না। আমরা ’২২ সালে বিজ্ঞপ্তি আসার সময় যোগ্য ছিলাম। কিন্তু ’২২ থেকে ’২৪ পর্যন্ত সরকার টেনে নিয়ে গেল … হ্যাঁ, এখন আমরা বয়সসীমা পার হয়েছি।

অন্য বিচারপতি: সমস্যাটা হলো, আপনাদের মতো শত শত, হাজার হাজার প্রার্থী আছে।

আইনজীবী: আমি কি শুধু একটা কথা বলতে পারি, মহামান্য? … আমি মাথা নত করছি, মহামান্য।

বিচারপতি: কারণ কেবল অতীত …

আইনজীবী: কিন্তু আজ তারা আরও শূন্যপদ (vacancy) যোগ করেছে। সুতরাং কারো ক্ষতি হবে না।

READ MORE  ১৫ জুলাই পর্যন্ত কি সকালেই চলবে স্কুল? ভাইরাল বিজ্ঞপ্তি ঘিরে বিভ্রান্তি, কী জানা গেল?

অন্য বিচারপতি: তাহলে আপনার মতো অবস্থায় যারা আছে, সেই হাজার হাজার মানুষদের কী হবে? আমরা কেবল আপনাদের দু’জনকে সীমাবদ্ধ রাখতে পারি না।

আইনজীবী: অন্তত ওই দুইজনের ক্ষেত্রে, একেবারেই নয়।

বিচারপতি: যারা ২০১৬ সালের নির্বাচনে অংশ নিয়েছিল … এখন যদি আপনাদের অংশ নিতে না দেওয়া হয়, তাহলে আমরা কী লাভ পাচ্ছি? কিন্তু এই যুক্তি খাটে না।

আইনজীবী: আপনি চাইলে বা না চাইলে, সময় চলে যাচ্ছে … বয়সও বেড়ে যাচ্ছে … আমি কি শুধু ঐ দুইজনের পক্ষেই প্রার্থনা সীমিত রাখতে পারি, যারা হাইকোর্টে গিয়েছিল?

বিচারপতি: আমরা কিছুই করতে পারছি না। দুঃখিত, আমরা এই বিষয়ে সময় ব্যয় করেছি। বিশেষত কিছু প্রশ্ন …

@পড়াশুনো অন্যান্য এরকম চাকরীর আপডেট পেতে নিচের বেল আইকনে ক্লিক করে আমাদের ওয়েবসাইটটি সাবস্ক্রাইব করে রাখুন

✅ আপনাদের যেকোনো সরকারি চাকরির আপডেট, নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, পরীক্ষার খবর এবং গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষামূলক তথ্য নিয়মিত পেতে আমাদের সঙ্গে যুক্ত থাকুন –
👉 ওয়েবসাইট: www.PoraShuno.org
👉 ইউটিউব: www.youtube.com/@porashuno
👉 টেলিগ্রাম: https://t.me/PorashunoOfficial
👉 WhatsApp গ্রুপ: https://chat.whatsapp.com/GdZghuoc0HPBmkiyBeReAy
👉 ফেসবুক গ্রুপ: https://www.facebook.com/groups/2675492765969321/?ref=share&mibextid=NSMWBT

🔔 প্রিয় পাঠক ও চাকরিপ্রার্থীরা, এই খবরটি অবশ্যই আপনাদের পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন, যাতে তাঁরাও সর্বশেষ আপডেট সম্পর্কে জানতে পারেন।

#SSCExam2025, #SupremeCourt, #WBTeacherRecruitment, #PoraShuno, #SSCUpdate, #WestBengalJobs, #EducationNews, #চাকরিরখবর


Leave a Reply

You cannot copy content of this page

Scroll to Top
Skip to content